মার্চ ২০২৬ স্পেশাল: প্রথম ১০ জনের জন্য ফ্রি ডকুমেন্ট রিভিউ ৫০০+ সফল ভিসা প্রসেসিং — আমাদের সাফল্যের গল্প দেখুন কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ভিসা সেবা ৯৮% সফলতার হার — বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ভিসা কনসালটেন্সি মার্চ ২০২৬ স্পেশাল: প্রথম ১০ জনের জন্য ফ্রি ডকুমেন্ট রিভিউ ৫০০+ সফল ভিসা প্রসেসিং — আমাদের সাফল্যের গল্প দেখুন কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ভিসা সেবা ৯৮% সফলতার হার — বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ভিসা কনসালটেন্সি
Revolution

২০২৬ সালে ইউএসএ (USA) ভিসার জন্য আবেদন করার নিয়মাবলী: ধাপ অনুসারে নির্দেশিকা

Aditto
|
|
2 মিনিটে পড়া যাবে
২০২৬ সালে ইউএসএ (USA) ভিসার জন্য আবেদন করার নিয়মাবলী: ধাপ অনুসারে নির্দেশিকা

ধাপ ১: ভিসার ধরন নির্ধারণ করুন আবেদন করার আগে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে আপনি কোন ক্যাটাগরির ভিসার জন্য আবেদন করছেন। সাধারণ কিছু ক্যাটাগরি হলো:

B-1: ব্যবসায়িক কাজে ভ্রমণের জন্য (মিটিং, কনফারেন্স)।

B-2: পর্যটন, চিকিৎসা বা আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করার জন্য।

F-1 / M-1: শিক্ষার্থীদের জন্য (একাডেমিক বা ভোকেশনাল)।

J-1: এক্সচেঞ্জ ভিজিটরদের জন্য।

সতর্কতা: আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং ভিসার ধরন যেন একে অপরের সাথে মিলে যায়, তা নিশ্চিত করুন। ভুল ক্যাটাগরি নির্বাচন করলে ভিসা বাতিল হতে পারে।

ধাপ ২: DS-160 ফর্ম পূরণ করুন DS-160 হলো অনলাইন নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা আবেদন ফর্ম। এটিই আপনার আবেদনের মূল ভিত্তি।

ওয়েবসাইট: Consular Electronic Application Center (CEAC) সাইটে গিয়ে এটি পূরণ করতে হয়।

সঠিক তথ্য: পাসপোর্টের তথ্যের সাথে হুবহু মিল রেখে ফর্মটি পূরণ করুন।

ছবি: গত ৬ মাসের মধ্যে তোলা ৫x৫ সেমি (২x২ ইঞ্চি) সাইজের ল্যাব প্রিন্ট ছবি আপলোড করতে হবে। চশমা পরা ছবি গ্রহণযোগ্য নয়।

Application ID: ফর্ম পূরণ শুরু করার পর প্রাপ্ত আইডিটি লিখে রাখুন, যাতে পরে এটি পুনরায় ব্যবহার করতে পারেন।

ধাপ ৩: ভিসা ফি প্রদান করুন DS-160 সাবমিট করার পর আপনাকে মেশিন রিডেবল ভিসা (MRV) ফি প্রদান করতে হবে।

ফি: ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ ভিজিটর ভিসার (B-1/B-2) ফি সাধারণত ১৮৫ ডলার (স্থানীয় মুদ্রায় সমপরিমাণ টাকা)।

পদ্ধতি: বাংলাদেশে সাধারণত নির্দিষ্ট ব্যাংকের (যেমন: ইস্টার্ন ব্যাংক) মাধ্যমে এই ফি জমা দেওয়া যায়।

রসিদ: ফি জমা দেওয়ার পর রসিদ নম্বরটি যত্ন সহকারে সংরক্ষণ করুন; এটি ছাড়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া সম্ভব নয়।

ধাপ ৪: অ্যাপয়েন্টমেন্ট শিডিউল করা আবেদনকারীদের সাধারণত দুটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হয়: ১. বায়োমেট্রিক (VAC): আঙুলের ছাপ এবং ছবি তোলার জন্য। ২. কনস্যুলার ইন্টারভিউ: ইউএস এম্বাসিতে সরাসরি অফিসারের সাথে সাক্ষাৎকার।

ধাপ ৫: প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করুন ইন্টারভিউয়ের দিন নিচের কাগজগুলো সাথে রাখা জরুরি:

পাসপোর্ট: ভ্রমণের তারিখ থেকে অন্তত ৬ মাস মেদ থাকতে হবে।

DS-160 কনফার্মেশন পেজ: বারকোড সহ পেজটি প্রিন্ট করে নিন।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট কনফার্মেশন লেটার: ইন্টারভিউয়ের সময় এটি প্রয়োজন।

আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা আয়ের উৎস।

দেশে ফেরার প্রমাণ: আপনি যে ভ্রমণ শেষে ফিরে আসবেন তার প্রমাণস্বরূপ কর্মস্থলের এনওসি (NOC) বা সম্পত্তির দলিল।

ধাপ ৬: ইন্টারভিউতে অংশগ্রহণ এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এখানে কর্মকর্তা আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য যাচাই করবেন।

সততা: সব প্রশ্নের উত্তর সত্যি এবং সংক্ষেপে দেওয়ার চেষ্টা করুন।

নিরাপত্তা: এম্বাসিতে বড় ব্যাগ বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস (স্মার্টওয়াচ, মোবাইল) নিয়ে প্রবেশ করা নিষেধ। তাই আগে থেকেই এগুলো রাখার ব্যবস্থা করে যাবেন।

শেয়ার করুন:

ভিসা নিয়ে সাহায্য দরকার?

বিনামূল্যে পরামর্শ নিন -- আমাদের বিশেষজ্ঞরা সাহায্য করবেন

WhatsApp-এ যোগাযোগ

ভিসা আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

নতুন ভিসা নিয়ম, ডেডলাইন ও টিপস সরাসরি আপনার ইনবক্সে

কোনো স্প্যাম নেই। যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।

সম্পর্কিত পোস্ট

WhatsApp Messenger